শুরুটা হয়েছিল একটাই ভাবনা থেকে — বাংলাদেশের মানুষ যেন তাদের পরিচিত ভাষায়, পরিচিত পেমেন্টে, বিশ্বমানের বেটিং সেবা পান। 7jaya সেই ভাবনার বাস্তব রূপ।
ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে দেখতে পাশের মানুষের সাথে বাজি ধরাটা বাংলাদেশে নতুন কিছু না। 7jaya সেই একই উত্তেজনাকে একটা নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্মে এনেছে।
বাংলাদেশের অন্য যেকোনো প্ল্যাটফর্ম থেকে আমাদের যা আলাদা করে
২০২০ সালের শুরুতে একদল অভিজ্ঞ টেক ও গেমিং পেশাদার মিলে ভাবছিলেন — বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানে হয় ইংরেজি ইন্টারফেস, নয়তো ক্রেডিট কার্ড লাগবে, নয়তো সাপোর্ট পাওয়া যায় না। এই তিনটা সমস্যার সমাধান দিয়ে একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েই 7jaya-র যাত্রা শুরু।
প্রথম কয়েক মাস ছিল গবেষণার। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে মানুষের সাথে কথা বলা হয়েছিল — ঢাকার অফিসকর্মী থেকে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী, সিলেটের চা-বাগানের কর্মী থেকে রাজশাহীর কলেজছাত্র। সবার একটাই অভিযোগ — বাংলায় বুঝে খেলার কোনো জায়গা নেই, বিকাশে সহজে টাকা পাঠানোর সুযোগ নেই।
সেই গবেষণার ভিত্তিতেই 7jaya তৈরি হয়েছিল — বাংলাদেশের মানুষকে কেন্দ্রে রেখে। প্রথম দিন থেকেই বাংলা ইন্টারফেস, বিকাশ-নগদ পেমেন্ট ও বাংলা সাপোর্ট ছিল। এরপর প্রতি মাসে ফিডব্যাকের ভিত্তিতে উন্নতি করতে করতে আজকের 7jaya।
"একটা প্ল্যাটফর্ম সত্যিকারের কাজের তখনই হয় যখন সেটা ব্যবহারকারীর ভাষায় কথা বলে। 7jaya-র শুরু থেকেই এটাই আমাদের মূল দর্শন।"
7jaya-র প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই মূল্যবোধগুলো
7jaya-কে বিশ্বাস করার পেছনে কংক্রিট কারণ
7jaya-র পেমেন্ট গেটওয়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের সাথে সরাসরি API সংযুক্ত। এর ফলে ডিপোজিট ও উইথড্র সাধারণত ৩–১০ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয় — রাত বা দিন যেকোনো সময়।
"বিকাশে টাকা পাঠাই, পাঁচ মিনিটে ব্যালেন্সে চলে আসে। জেতার পরও দ্রুত উইথড্র হয়। এই বিশ্বাসটাই 7jaya-তে থাকার কারণ।"
"সব বাংলায় বলে দেয়, কিছু বুঝতে না পারলে চ্যাটে জিজ্ঞেস করলে সাথে সাথে উত্তর দেয়। অন্য জায়গায় ইংরেজিতে ঝামেলা হতো।"
"BPL সিজনে 7jaya-তে ঢুকলে মনে হয় মাঠেই আছি। লাইভ স্ট্রিমিং দেখতে দেখতে বেট করা অন্যরকম অভিজ্ঞতা।"
অভিজ্ঞ টেক, গেমিং ও ফিনটেক পেশাদারদের দল
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং নিয়ে অনেক মানুষের মনে সংশয় থাকে — পেমেন্ট আটকে যাবে না তো? জয়ের টাকা পাব তো? অ্যাকাউন্ট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাবে না তো? এই প্রশ্নগুলো স্বাভাবিক, কারণ অতীতে অনেকে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। 7jaya এই সংশয়গুলোকে সম্মান করে এবং সেগুলোর সরাসরি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে।
পেমেন্টের বিষয়ে 7jaya-র নীতি সহজ — ডিপোজিট ও উইথড্র দুটোই দ্রুত। বিকাশে ডিপোজিট করলে সাধারণত ১–৩ মিনিটে ব্যালেন্সে চলে আসে। উইথড্র করলে ৩–১০ মিনিটে বিকাশ বা নগদে পৌঁছায়। KYC যাচাই সম্পন্ন থাকলে কোনো বাধা নেই। প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড ট্রানজেকশন হিস্ট্রিতে থাকে — স্বচ্ছতার কোনো আপোষ নেই।
7jaya-তে অ্যাকাউন্ট তৈরি করলে সেটা আপনার। কোনো কারণ ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয় না। তবে নিয়ম ভঙ্গ — যেমন একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা, অন্যের তথ্য ব্যবহার করা বা প্রতারণামূলক কার্যকলাপ — এগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিয়ম মেনে চলা সদস্যরা কখনো কোনো সমস্যায় পড়েন না।
7jaya-র বেটিং অডস তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষার মাধ্যমে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়। কোনো ম্যাচের ফলাফল পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই এবং এর ইচ্ছাও নেই। অডস বাজারের তথ্য, দলের পরিসংখ্যান ও বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে 7jaya-র অবস্থান স্পষ্ট। বেটিং বিনোদনের জন্য — জীবিকার উৎস নয়। অ্যাকাউন্ট সেটিংসে সাপ্তাহিক বা মাসিক বেটিং সীমা নির্ধারণের সুবিধা আছে। কেউ প্রয়োজন মনে করলে নিজের অ্যাকাউন্ট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ (Self-Exclusion) করতে পারেন। এই টুলগুলো 7jaya নিজে থেকেই দেয় — কারো চাপে নয়।
7jaya-র অ্যাপটা বাংলাদেশের মানুষের ফোনের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা। বেশিরভাগ বাংলাদেশি ব্যবহারকারী মিড-রেঞ্জ Android ফোন ব্যবহার করেন — সেগুলোতেও অ্যাপ দ্রুত চলে। ডেটা খরচ কমাতে অ্যাপের আকার ছোট রাখা হয়েছে। দুর্বল নেট সংযোগেও কাজ করে এমনভাবে অপটিমাইজ করা হয়েছে।
সব শেষে — 7jaya একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিখুঁত নয়। কখনো কখনো সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ লাগে, কোনো পেমেন্ট একটু দেরি হতে পারে, নতুন ফিচারে মাঝেমাঝে বাগ থাকতে পারে। কিন্তু যা নিশ্চিত তা হলো — সমস্যা হলে 7jaya লুকোয় না, সমাধান করে। এই সততাটুকুই ৫ লাখের বেশি মানুষকে 7jaya-তে ধরে রেখেছে।
7jaya সম্পর্কে আরও জানুন
বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন। অ্যাকাউন্ট তৈরি বিনামূল্যে, ডিপোজিট মাত্র ৳২০০ থেকে — আজই শুরু করুন।
১৮+ বয়স্কদের জন্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।